বাগেরহাট সদর উপজেলার চুলকাঠিতে খুলনা-মোংলা মহাসড়কে পাশে অবস্থিত মদিনা অটো রাইচ মিল,মক্কা অটো রাইচ মিল,মোজাফ্ফর অটো রাইচ মিল চত্বরে ও সৈয়দপুরে সন্ধ্যা বাজার নামক স্থানে প্রতিদিন ধানের হাট কেনা-বেচা জমে উঠেছে। বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকারি ব্যবসায়ীরা বাজারে ধান ক্রয় বিক্রয় করছে। প্রতি মণ ধান মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকায়। তবে ধানের দাম কম হওয়ায় এই দামে সন্তুষ্ট নন কৃষক ও পাইকাররা। প্রত্যাশিত দাম না পেয়ে হতাশ তারা।কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে উৎপাদিত ধান কাটার শেষ পর্যায়ে কৃষকেরা বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে আসছেন। বিভিন্ন বাজার থেকে প্রতি হাটবারে শত শত পাইকার ধান কিনতে চুলকাঠি বাজার গুলোতে ছুটে আসে।সরেজমিনে দেখা যায়, চুলকাঠি বাজার সংলগ্ন সৈয়দপুর বাই রোডের দোকান গুলোতে বিভিন্ন যানবাহনে করে কৃষকেরা বস্তাভর্তি ধান আনছেন বাজারে বিক্রি করতে। চুলকাঠি টুয়েন্টি ফোর প্রতিনিধিকে ধান ক্রেতা ও বিক্রেতা বলেন, প্রতি বস্তা মোটা ধানের মধ্যে বিআর-১১, বিআর-২২, বিআর-৪৯, হরি ধান, এরিশাইল, জিরা বালাম বিক্রি হচ্ছে। ১০০০-১১০০টাকা, হচ্ছে স্বর্ণা, বিআর-৪৯ সহ চিকন ধান বিক্রি হচ্ছে ৯০০-৯৫০ টাকা দরে। ধান বিক্রি হয় প্রতিদিন ভোর ৭ টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত।এবার বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলা করে উৎপাদন ভালো হলেও চাষের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবং ধান বিক্রি করেও তেমন লাভের মুখ দেখছে না বাজারে থেকে ধান কিনতে আসা ব্যবসায়ী বলেন, এবার প্রতি মণ ধান ৯০০-১০০০ টাকায় কিনে প্রক্রিয়াজাত করে বাজারে চাল বিক্রয় করছি। তবে ধান বিক্রি করে লাভ তেমন না হওয়ায় হতাশ বলেও জানান তারা। জোরারগঞ্জ ধানের হাটের ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি হাটে প্রায় ১৫ শ বস্তা (প্রতি বস্তায় ৮৫ কেজি করে) ধান বিক্রি হয় এবং এই বাজারে লেনদেন হয় প্রায় লক্ষ টাকা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, এবার উপজেলার জমিতে উচ্চফলনশীল ও হাইব্রিড জাতের আমন ধানের আবাদ হয়েছে।
Leave a Reply